ভোলায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ, অজ্ঞাত ৫০০০ জনকে আসামি করে মামলা

ভোলায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ, অজ্ঞাত ৫০০০ জনকে আসামি করে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক : ভোলায় সংঘর্ষের ঘটনায় প্রশাসনকে দায়ী করে পুলিশ সুপার ও ওসিকে প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবি বিক্ষোভকারীদের।

ভোলায় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন। এদিকে, সংঘর্ষের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে দায়ী করেছে বিক্ষোভকারীরা। পুলিশ সুপার ও বোরহানউদ্দিন থানার ওসিকে প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবি জানিয়েছে তারা। এছাড়া, সংঘর্ষের ঘটনায় অজ্ঞাত পাঁচ হাজার জনকে আসামি করে মামলা করেছে পুলিশ।

ফেসবুক আইডি হ্যাক করে একটি অবমাননাকর মেসেজ ছড়িয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে রবিবার ভোলায় পুলিশের সঙ্গে জনতার সংঘর্ষে চারজন নিহত ও ১০ পুলিশ সদস্যসহ দেড় শতাধিক আহত হন।

এরপর আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভোলায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে জেলা প্রশাসন।

এদিকে, সোমবার সকালে ভোলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নবগঠিত সর্বদলীয় মুসলিম ঐক্য পরিষদ। এতে, অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলে এমন ঘটনা ঘটতো না বলে দাবি করা হয়। পুলিশ সুপার ওবং বোরহানউদ্দিন থানার ওসিকে প্রত্যাহারসহ ৬ দফা দাবি তুলে ধরা হয়।

এছাড়া, যে কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশবিরোধী চক্র হিন্দুদের বাড়িতে হামলা চালায় বলেও অভিযোগ করেন সংগঠনটির যুগ্ম সচিব মাওলানা মিজানুর রহমান।

এদিকে, বোরহানউদ্দিনে সংঘর্ষের ঘটনায় অজ্ঞাত পাঁচ হাজার জনকে আসামি করে রাতে মামলা করেছে পুলিশ। সন্দেহভাজন কয়েকজনকে আটক করা হলেও কাউকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। যেকোনো বিশৃঙ্খলা কঠোরভাবে দমন করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

বোরহানউদ্দিন উপজেলার পাশাপাশি পুরো জেলাতেই থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। জেলা শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবিও মোতায়েন রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন




All rights reserved © Prothom Kantho
Design BY Code For Host, Inc