নবান্নের আনন্দে সখীপুরে শীতের পিঠা বিক্রির উৎসব

নবান্নের আনন্দে সখীপুরে শীতের পিঠা বিক্রির উৎসব

Spread the love

জাকির হোসেন,সখীপুর : সন্ধ্যার হিমেল বাতাসে ভাঁপা পিঠার গরম আর সুগন্ধি ধোঁয়ায় মন আনচান করে ওঠে। সরষে বা ধনে পাতা বাটা অথবা শুঁটকির র্ভতা মাখিয়ে চিতই পিঠা মুখে দিলে ঝালে কান গরম হয়ে শীত পালায়। শীতের আমেজ শুরুর সাথে সাথে সখীপুর উপজেলার অলি-গলি বিভিন্ন জায়গায় এখন চলছে পিঠা তৈরি ও বেচাকেনার ধুম।

পিঠা প্রেমি মানুষ শীতের স্বাদ গ্রহণ করতে অলি-গলিতে এসব পিঠার দোকানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভিড় করছেন।আবার অনেকেই দেখা যাচ্ছে পিঠার দোকানের চুলার পাশে বসেই গরম পিঠা খাওয়াকে রেওয়াজে পরিণত করেছেন। অনেকে পরিবারের চাহিদা মেটাতে পিঠা ক্রয় করে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া সন্ধ্যার পর ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস, দোকান, ক্লাবের আড্ডায়ও পিঠার আয়োজন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তবে শ্রমজীবী, রিকশা-ভ্যান চালক, ড্রাইভারসহ বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত শ্রমিক-অভিজাত শ্রেণির লোকজনের কাছে অত্যন্ত প্রিয় খাবার শীতের পিঠা। এই শীতে ফুটপাতের পিঠাওয়ালা ভদ্র ঘরের অভিজাত গৃহবধূদের প্রায় মুক্তি দিয়েছে পিঠা তৈরির কষ্ট থেকে। শীতে পরিবারের সবাই নানা পিঠা খেতে উৎসাহী হয়। গ্রাম থেকে শহরের সকল পরিবারেই চলে এ চাহিদা। কিন্তু এ পিঠা তৈরিতে নানা ঝামেলা পোহাতে হয় গৃহবধূদের। দরকার পড়ে নানা উপকরণ। আবার তার সঙ্গে লাগে অভিজ্ঞতা। সব মিলে অন্যসব খাবারের মতো সহজে তৈরি করা যায় না শীতের পিঠা। সার্মথ্য ও প্রয়োজন পড়ে।

অনেকের সংসারে অধীক মূল্যে চিনি, গুড়, দুধ কেনা কষ্টসাধ্য। তাদের কাছে পিঠা খাওয়া শুধুই স্বপ্ন। কিন্তু তারপরও থেমে থাকেনা তাদের পিঠা খাওয়া। দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষের পিঠা খাওয়ার জন্য উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠেছে প্রায় শতাধিক পিঠার দোকান।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন




All rights reserved © Prothom Kantho
Design BY Code For Host, Inc