৪৩ বছর ধরে পরিত্যক্ত সখীপুরের ৪টি বীজাগার

৪৩ বছর ধরে পরিত্যক্ত সখীপুরের ৪টি বীজাগার

Spread the love
নিজস্ব প্রতিবেদক:

বীজ সংরক্ষণ, কৃষি কাজে ব্যবহার ও মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাদের আবাসিক সুবিধা দিতে টাঙ্গাইলের সখীপুরের ছয়টি ইউনিয়নে নির্মাণ করা হয়েছিলো ছয়টি ভবন।

১৯৭৬ সালের পর বন্ধ হয়ে যায় চারটি বীজাগারের কার্যক্রম। সেই থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ভবনগুলো। সংস্কারের অভাবে যা এখন ব্যবহারের অনুপযোগী। আর সুযোগ বুঝে বাকী দুটি ভবনের আশেপাশের জায়গা দখল করেছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা।

কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, বীজাগারগুলো দখলমুক্ত করে সংস্কার করা হলে তাদের পাশাপাশি উপকৃত হবেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, ভবনগুলো দখলমুক্ত করতে পাইলট প্রকল্প নেয়া হয়েছে। আর কৃষি মন্ত্রী জানান, নতুন করে ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের।

সখীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম বলেন, আমাদের উপজেলা প্রশাসন থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এই জমিটাগুলো দখলের জন্য যে যে সহযোগিতা দরকার তারা করবেন।

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, যেগুলো মেরামত করা সম্ভব, ব্যবহার উপযোগি করা যায় সেগুলো আমরা করবো আর বাকীগুলো অনুপযোগি ঘোষণা করে নতুন করে নির্মাণ করা হবে।

১৯৬২ সালে সখীপুর উপজেলার গাজারিয়া, যাদবপুর, বহেড়াতৈল, কাকড়াজান, হাতীবান্ধা ও কালিয়া ইউনিয়নে, বীজাগার ভবন নির্মাণ করে কৃষি বিভাগকে বুঝিয়ে দেয় তৎকালীন সরকার।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন




All rights reserved © Prothom Kantho
Design BY Code For Host, Inc