শিরোনাম:
সখীপুরে এমপি জোয়াহের ১২’শ  শ্রমজীবী মানুষ‌কে খাদ্য সামগ্রী দিলেন সখীপুর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে খাদ্য সহায়তা করলেন জাহাঙ্গীর তারেক সখীপুরে সাজ্জাত হোটেলের পক্ষ থেকে হত দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য বিতরণ টাঙ্গাইলে যুবদলের পক্ষ হতে হতদরিদ্র’দের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পুলিশের বিরুদ্ধে ‘গুজব’ না ছড়িয়ে সহযোগিতার আহ্বান | দৈনিক প্রথমকণ্ঠ সখীপুর ব্লাড ডোনেশন ক্লাবের খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কবিতা “একমুঠো ভাত” কলমযোদ্ধা তুলোশী চক্রবর্তী | দৈনিক প্রথমকণ্ঠ করোনায় মারা গেলেন কাইশ্যা / দৈনিক প্রথমকণ্ঠ সখীপুরে ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফেরদৌসের ব্যক্তি উদ্যোগে ৩২০জনের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ গুজবে কান দিবেন না, আসল ঘটনা জানুন
টাঙ্গাইলে করোনা আতঙ্কে প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে পালাল স্ত্রী

টাঙ্গাইলে করোনা আতঙ্কে প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে পালাল স্ত্রী

প্রথম কণ্ঠ ডেস্ক:টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় সিঙ্গাপুরফেরত এক ব্যক্তি করোনা ভাই’রাস আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন এমন আ’ত’ঙ্কে তাকে ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে গেছেন স্ত্রী। এরপর বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আ’ত’ঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী তার সঙ্গে ব’ন্ধ করে দিয়েছেন চলাফেরা।

সিঙ্গাপুরফেরত ওই ব্যক্তির নাম আব্বাস আলী (৪২)। তিনি উপজেলার দেউলী দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত শামছুল হকের ছেল। গত বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সিঙ্গাপুর থেকে নিজ বাড়ি আসেন আব্বাস।

সিঙ্গাপুরফেরত আব্বাস আলী বলেন, ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতে সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশনে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে যথাযথ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বাড়ি আসি। পরদিন ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশে বাজারে যাই। এ সময় স্থানীয়রা আমাকে সন্দেহ করে বলে তোমার শরীরে করোনা আছে। এজন্য তোমাকে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আমি তাদের বলেছি, ছুটিতে এসেছি- আমার শরীরে করোনা নেই। বার বার স্থানীয়দের বিষয়টি বুঝিয়ে ব্যর্থ হই আমি।

এ অবস্থায় রোববার সকালে আমাকে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আমাকে টাঙ্গাইল হাসপাতালে নেয়া হয়। টাঙ্গাইল হাসপাতাল থেকে আমাকে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসক। আব্বাসের মা বলেন, আমার ছেলে পুরোপুরি সুস্থ। আমার ছেলের শরীরে কোনো ভাই’রাস নেই। মানুষ আমার ছেলেকে শুধু শুধু হ’য়রা’নি করছে।

আব্বাস আলী বলেন, এ সময়ে আমি দেশে এসে বিড়’ম্বনায় পড়েছি। আমার শরীরে করোনা ভাই’রাস নেই। এ ভাই’রাসের কোনো লক্ষণও নেই। তারপরও আমাকে ধরে এনে হাসপাতালে বসিয়ে রেখেছে। হাসপাতাল থেকে প্রথমে বলেছে দুদিন আমাকে এখানে রাখবে। তারপর বলছে, আমাকে ঢাকায় গিয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। অথচ আমার শরীরে কোনো সম’স্যা নেই। তারপরও আমাকে নিয়ে কেন এত টা’নাহেঁ’চড়া বুঝতে পারছি না। বাধ্য হয়ে আমি এখন ঢাকায় যাচ্ছি।

বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান কর্মকর্তা এসএম জামাল বলেন, খান বাহাদুর নামে এক চেয়ারম্যান এ তথ্য আমাদের জানান। আমরা জানতে পেরেছি কয়েক দিন আগে আব্বাস বিদেশ থেকে এসেছেন। আসার পর স্বাভাবিকভাবে কারও সঙ্গে মিশতেন না। সবাই স’ন্দে’হ করে তাকে চিকিৎসার জন্য পাঠায়। তবে করোনা ভাই’রাসের কোনো লক্ষণ তার শরীরে নেই।

টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, সিঙ্গাপুর থেকে আব্বাস আলী যখন দেশে আসেন তখন তার শরীরে কোনো করোনা ভাই’রাসের লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এমনকি বিমানবন্দরের স্ক্যানারেও জ্ব’রের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর উ’দ্বে’গের কারণে এ সম’স্যা হয়েছে। এতে আ’ত’ঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন




All rights reserved © Prothom Kantho
Design BY Code For Host, Inc