শিরোনাম:
শোয়েব আখতারের দুঃখপ্রকাশ

শোয়েব আখতারের দুঃখপ্রকাশ

স্পোর্টস ডেস্ক : ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল মহেন্দ্র সিং ধোনির। প্রথম বিদেশ সফরটা ছিল পরের বছরের জানুয়ারিতে, চির প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ পাকিস্তানে। সেই সফরে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেন ধোনি, খেলেন ১৫৩ বলে ১৪৮ রানের দাপুটে ইনিংস।

ড্র হওয়া সেই ম্যাচে দুই ইনিংস মিলে পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছিলেন অভিষিক্ত পেসার আরপি সিং। তবে নিজের পঞ্চম টেস্ট খেলতে নেমে ১৪৮ রানের সাহসী ইনিংস খেলা ধোনি প্রশংসিত হয়েছিলেন ক্রিকেট মহলে। উইকেটরক্ষক ধোনির ব্যাটিং সামর্থ্যের প্রমাণ ছিলো সেই ইনিংসটি।

কিন্তু সেদিন তার ব্যাটিং একদমই খুশি হতে পারেননি পাকিস্তানি পেসার শোয়েব আখতার। ধোনির ব্যাটিংয়ে রীতিমতো ক্ষেপে গিয়েছিলেন তিনি। যে কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে ধোনির গায়ে বল মেরেছিলেন শোয়েব। তবে সঙ্গে আবার দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস।

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার আকাশ চোপড়ার ইউটিউব চ্যানেলে শোয়েব বলেছেন, ‘আমার মনে আছে, যখন ভারত এলো পাকিস্তানে, আমার বাম পায়ের ফিবুলা ভেঙে গিয়েছিল। মহেন্দ্র সিং ধোনি ফয়সালাবাদে সেঞ্চুরি করেছিল। সেখানে কেমন (ব্যাটিং) উইকেট ছিল, তা তো সবাই জানেনই।’

শোয়েব বলতে থাকেন, ‘প্রতিদিন খেলা শুরুর আগে আমার পায়ে বড় বড় ইনজেকশন দেয়া হতো, বোধশূন্য করে রাখার জন্য। আমি সেভাবেই বোলিং করে যেতাম তারা আমাকে শেষ ম্যাচটা খেলতে বলেছিল। কারণ এরপর আর আমার পা আমাকে সঙ্গ দেবে না, ফিবুলাটা প্রায় ঝুলছিল।’

‘আমার মনে হয় ফয়সালাবাদে ৮-৯ ওভারের একটা স্পেল করেছিলাম। সেই স্পেলটা খুবই দ্রুতগতির ছিল। ধোনি তখনই সেঞ্চুরি করে। আমি তখন ইচ্ছা করেই একটা বিমার (কোমড়ের ওপরের উচ্চতার ডেলিভারি) করি। তবে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমা চেয়েছিলাম।’

ফয়সালাবাদের সেই ম্যাচে এক ইনিংসই বোলিং করতে হয়েছিল শোয়েবকে। ধোনির সেঞ্চুরি করা ইনিংসে শচিন টেন্ডুলকারের উইকেট নিয়েছিলেন শোয়েব। তবে ২৫ ওভারের স্পেলে আর কোনো উইকেট পাননি তিনি, খরচ করেছিলেন পাক্কা ১০০ রান।

সংবাদটি শেয়ার করতে এখানে ক্লিক করুন




All rights reserved © Prothom Kantho
Design BY Code For Host, Inc